image নির্বাচনী এলাকায় গানম্যান পাবেন এমপিরা

জাতীয় সংসদের সদস্যরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানকালে গানম্যান পাবেন। তবে ঢাকায় অবস্থানকালে তাদের সেই গানম্যান থাকবে না। গতকাল বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানকালে সংসদ সদস্যরা যে গানম্যান পাবেন, তা সাময়িক ব্যবস্থা। তাদের নিরাপত্তার জন্য স্থায়ী কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে সুপারিশ প্রদান করতে সভায় একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সূত্র জানায়, সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, পুলিশের আইজি একেএম শহীদুল হক, স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান অতিরিক্ত আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় এমপি মনজুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ হত্যাকা-ের পর বিভিন্ন জেলার সংসদ সদস্যরা বাড়তি নিরাপত্তা চেয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ সংসদ সদস্য গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। তবে আবেদনগুলোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। বর্তমানে সংসদ সদস্যরা কোনো গানম্যান পান না। তবে সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতিরা নিজ নিজ নিরাপত্তায় একজন গানম্যান পান।

সভায় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংসদ সদস্যদের গানম্যান প্রদান শুরু হলে সাড়ে ৩০০ গানম্যান নিয়োগ করতে হবে। তবে এখনই এত বিপুল সংখ্যক গানম্যান নিয়োগ করার মতো সক্ষমতা পুলিশের নেই।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আপাতত নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানকালে সংসদ সদস্যদের গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থায়ী কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় সে ব্যাপারে সুপারিশ প্রদানে অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) আব্দুল হান্নানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সুপারিশসহ রিপোর্ট প্রদান করতে বলা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র বলেছে, সংসদ সদস্য লিটন খুন হওয়ার পর অনেক জেলাতেই এমপিরা একরকম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে জামায়াত ও জঙ্গি অধ্যুষিত এলাকার সংসদীয় আসনের এমপিরাই বেশি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। আর নিজেদের নিরাপত্তায় কেউ ঝুঁকি নিতে চান না। তাই পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করছেন। আবার কেউ কেউ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়োগ দিয়েছেন।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s